1. admin@sylhetkushiara.com : admin :
সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ০৩:১১ পূর্বাহ্ন
প্রধান খবর
মোঃ রেহান উদ্দিন মাষ্টার (প্রাক্তন চেয়ারম্যান) আমাদের মধ্যে আর নেই ! শরিফগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি গেদাই, সাঃ সম্পাদক কামাল ও সাংগঠনিক শাহীন কুশিয়ারা যুব কল্যাণ পরিষদের নতুন কমিটি শাহান সভাপতি ও জুয়েল সাধারণ সম্পাদক কুশিয়ারা যুব কল্যাণ পরিষদের শোক সভা অনুষ্ঠিত গোলাপগঞ্জে ঢাকাদক্ষিন ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত গোলাপগঞ্জে বাদেপাশা ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন গোলাপগঞ্জে বুধবারীবাজার ইউনিয়ন বিএনপি’র দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন গোলাপগঞ্জে বাদেপাশা ও বুধবারীবাজার ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত গোলাপগঞ্জের ভাদেশ্বর ইউনিয়ন বিএনপি’র দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত গোলাপগঞ্জের লক্ষনাবন্দ ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন
add

করোনা কালে ভালো নেই মধ্যবিত্ত মানুষেরা…

  • বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২০
  • ৩২৮ বার পড়া হয়েছে

সিলেট কুশিয়ারা ডেস্ক: মধ্যবিত্ত মানুষদের খুব বেশি কিছু চাওয়ার থাকে না। বাচ্চারা একটু পড়ালেখা করুক। চলার মতো রুটি-রুজির ব্যবস্থা হোক। জীবন যুদ্ধে ল’ড়াই করতে হয় প্রতিনিয়ত তাদের। বারবার হোঁচট খায়, আবার উঠেও দাঁড়ায়। এভাবেই চলে জীবনপথ।

কিন্তু মহামারী করো’না তাদের বেশীর ভাগ পরিবারের জীবনে যে বিপর্যয় নিয়ে এসেছে তা অবর্ণনীয়। শহরের কোলাহলে দীর্ঘকালে তিলে তিলে গড়ে তোলা সংসার মধ্যরাতে কিংবা সকালে অথবা দুপুরে তাহারা তুলে দিচ্ছেন পিকআপে। ফিরে যাচ্ছেন গ্রামে। অনেকদিন আগে যে গ্রাম ছেড়ে এসেছিলেন। কথা হচ্ছে, সেখানেও তাদের সামনে অ’পেক্ষা করছে অনিশ্চয়তা। একদল ফিরে গেছেন বাড়ি। বাকিরা ল’ড়ছেন এখনো এই শহরে। স্রেফ টিকে থাকার সংগ্রাম।

ভোগবাদী এই সমাজে মধ্যবিত্ত প্রায় সবসময়ই বিপদে ছিল। তাদের টিকে থাকাই ছিল কঠিন। জীবনযাত্রার ব্যয় যেভাবে বেড়েছে সেভাবে তাদের মানিব্যাগ বড় হয়নি। পরিবারের সদস্যদের চাওয়া পাওয়ার অনেক কিছুই পূরণ হয়নি। কেউবা এমন জীবনে অভ্যস্ত হয়েছেন যার জোগান এখন আর দিতে পারছেন না। যদিও তাদের কেউ কেউ নাম লিখিয়েছেন উচ্চবিত্তের খাতায়। যে স্বল্প সংখ্যক বিত্তের চূড়ায় উঠেছেন, বেগমপাড়ায় ঘরবাড়ি করেছেন তাদের কথা আলাদা। কিন্তু চিরকালীন যে মধ্যবিত্তের জীবনটা সবসময়ই কঠিন।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমানের দেয়া এক হিসাবমতে, বাংলাদেশে ১৬ কোটি মানুষের চার কোটি পরিবার রয়েছে। এরমধ্যে নিম্নবিত্ত ২০ ভাগ আর উচ্চবিত্ত ২০ ভাগ। মাঝের যে ৬০ ভাগ এরা নিম্ন, মধ্য ও উচ্চ মধ্যবিত্ত। এই সংখ্যা আড়াই কোটি পরিবার হবে।

পরিস্থিতি যে এতটা কঠিন হবে তা অবশ্য শুরুর দিকে আঁচ করা যায়নি। মা’র্চের শেষ সপ্তায় সাধারণ ছুটি বা লকডাউন শুরুর পর সবচেয়ে বিপর্যয়ে পড়ে নিম্নবিত্ত শ্রেণির মানুষ। তাদের বেশির ভাগই নিজেদের জীবিকা হারিয়ে ফেলেন। অনেকে শহর ছেড়ে চলে যান। এসব নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে দাঁড়াতে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ দেখা যায়। মধ্যবিত্তের ওপর আ’ঘাতটা আসে আরেকটু পরে। সঞ্চয় ভেঙে খাওয়া শেষে তারা দেখেন হাতে কিছুই নেই। পরিবর্তিত সময়ে তারা সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়ছেন বাসা ভাড়া মেটাতে গিয়ে। এমনিতে তাদের টালি খাতার হিসাব মেনে চলতে হয়। যা বেতন পান দেখা যায় তার অর্ধেক চলে যায় বাসা ভাড়া মেটাতে। বাকি অর্ধেকে টেনেটুনে চলেন। কিন্তু এমন মধ্যবিত্তের অনেকেই চাকরি হারিয়েছেন। তাদের জন্য এই শহরে টেকা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বেতন আ’ট’কে গেছে অনেক প্রতিষ্ঠানে। কেউবা দু’মাসে একবার বেতন পেয়েছেন। বেতন কমে গেছে অনেকের। এমনকি কয়েকটি ব্যাংকও কর্মক’র্তা-কর্মচারীদের বেতন কমিয়েছে। অথচ গত কয়েক বছর ধরে ব্যাংকের চাকরিকে অন্যতম আকর্ষণীয় হিসেবে বিবেচনা করা হতো। বলা হচ্ছে, সরকারি চাকরিজীবী ছাড়া কেউই আসলে ভালো নেই।

add

ভালো লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর
add

বাংলাদেশে কোরোনা

সর্বশেষ (গত ২৪ ঘন্টার রিপোর্ট)
আক্রান্ত
মৃত্যু
সুস্থ
পরীক্ষা
সর্বমোট
© sylhetkushiara 2020 All rights reserved. কারিগরি সহায়তা: WhatHappen
Theme Customized By BreakingNews